সাগরদিঘিতে আমি হারছি " - তৃণমূল প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস

 

নিউজ ডেস্ক,(খবর7দিন প্লাস):- এই মুহূর্তে কি বায়রন বিশ্বাস একদম জ্যোতিষী হয়ে গেলেন। বায়রণ বিশ্বাস যে খুবই বিশ্বাসযোগ্য প্রার্থী তা অবশ্য নয়। মধ্যেবর্তী বামেদের সমর্থনে  তিনি ছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী। তার কয়েকমাস পরেই তিনি চলে গিয়েছিলেন তৃণমূলে। এবারও তিনি তৃণমূলের প্রার্থী। 

বিজেপি ইতিমধ্যেই দাবি করেছে যে প্রথম দফার ১৫২ আসনের মধ্যে ১১০টি পাবে বিজেপি। এরই মধ্যে আচমকা নিজের আসন নিয়েই ভবিষ্যদ্বাণী করে বসলেন সাগরদিঘির তৃণমূল প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস। বললেন, ‘সাগরদিঘিতে আমি হারছি।’শুধু নিজের কথা নয়, বললেন আরও একাধিক তৃণমূল প্রার্থীর কথা। ক্যামেরার সামনে বায়রন বলেন, “আমি হারছি, জঙ্গিপুরে জাকির সাহেব হারছেন, সামশেরগঞ্জে নূর আলম হারছেন, ফরাক্কাও হারছে, রাজ্যের কথা বলতে পারব না।”

  শুক্রবার গভীর রাতে জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজের স্ট্রং রুমের ক্যামেরা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে শনিবার ভোররাতে ছুটে যান সাগরদিঘির বিদায়ী বিধায়ক তথা তৃণমূল প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস। সিসিটিভি এবং বাইরের ক্যামেরা বেশ কিছুক্ষণ বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ তুলে, তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন বায়রন। তাঁর দাবি, গভীর রাতে দীর্ঘক্ষণ ধরে আলো বন্ধ ছিল।বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান থেকে শুরু করে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের উপর রীতিমতো চড়াও হন বায়রন। প্রায় ২০ মিনিট ধরে আলো বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি। বলেন, “আমার বাড়িতেও জেনারেটর চলে। এক মিনিটেই অন হয়ে যায়।” তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীদের হারানোর জন্যই একধরনের চক্রান্ত করা হচ্ছে।

নবীনতর পূর্বতন