নিউজ ডেস্ক, কলকাতা (খবর7দিন প্লাস):- কে এই কালী? তারাতলা বিপর্যয়ের পরে নড়ে উঠেছে সারা বাংলা। মৃতের সংখ্যা অনেকটা বেড়ে গেছে। প্রবল ক্ষোভে ফুঁসছে মুখ্যমন্ত্রী। তারাতলার ঘটনায় শিউরে উঠেছে শহর কলকাতা। মৃতদের পরিবারে হাহাকার। কার গাফিলতিতে এতগুলো মানুষ প্রাণ হারাল, চলছে কাটাছেঁড়া। বেআইনি প্ল্যানিং-এর অভিযোগ আগেই সামনে এনেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আর সেই অভিযোগের সূত্র ধরেই বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীর মুখে উঠে এলে ‘কালী’র নাম। ‘কালীকে তুললেই সব বেরিয়ে যাবে’, বিধানসভায় বিবৃতি দিতে গিয়ে এ কথা বলেছেন তিনি। তারাতলার ওই নির্মাণের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “কালীকে তুললেই সব বেরিয়ে যাবে। কালী না বললে কোনও প্ল্য়ানে অনুমোদন হয় না। এই কালী ক্যামাক স্ট্রিটের অ্যাপয়েন্ট করা। বাইপাসের ধারে ২০০ কোটি টাকায় তৃণমূলর ভবন বানাচ্ছে এই কালী। এখান থেকে টাকা তুলে পাঠায়।”
কালী আসলে কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। পুরনিগমের চিফ ম্যানেজার। ফিরহাদ হাকিম মেয়র থাকাকালীন তাঁর ওএসডি ছিলেন কালীচরণ। মেয়রের পাশেই বসে থাকতে দেখা যেত তাঁকে। ফিরহাদ ইস্তফা দেওয়ার পর সাংসদ তহবিল সংক্রান্ত বিভাগে দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি। বর্তমানে সেখানেই কর্মরত। ফিরহাদের পাশে পাশেই থাকতেন কালীচরণ। পুরসভার অন্দরে আলোচনা হত, কালীর চোখ দিয়েই নাকি কলকাতা দেখতেন মেয়র। পুরনিগমের অফিসারদেরও অনেক অসন্তোষ রয়েছে ছিল এই কালীকে ঘিরে। সবথেকে বড় কথা, সেক্সপীয়র সরণি থানায় এই কালীচরণের বিরুদ্ধে ভাতা সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ দায়ের করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর আইনজীবী সঞ্জয় বসু। আর এবার সেই কালীচরণের বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী।

